বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জে জেমস সমাজ কল্যাণ পরিষদে জার্সি বিতরণ করলেন মুঈদ আশিক চিশতী কমলগঞ্জে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ কমলগঞ্জ উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের আংশিক কমিটি অনুমোদন পুলিশের গাড়িতে লিফট নিয়ে মামলার আসামী লিটন-জুনায়েদ, মুক্তির দাবি মৌলভীবাজারে আশ্রম পরিদর্শনে ভারতের সহকারী হাই-কমিশনার চা বাগানে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ফাগুয়া উৎসবের উদ্বোধন ট্রেনের ঈদযাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু, শতভাগই অনলাইনে কমলগঞ্জে সমাজসেবা কার্যালয়ে ভোগান্তি: ৪ বছরেও মিলছে না বিধবা ভাতার বরাদ্দ! কিভাবে খামেনিসহ ইরানের শীর্ষ সব নেতার অবস্থান খুঁজে পেল? ইরানের স্কুলে হামলায় নিহ/ত বেড়ে ১০৮

শব্দ দূষণ প্রতিকার চেয়ে উপজেলা ইউএনও কাছে শিক্ষার্থীদের আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৭০ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : রবিবার, ২২ জুন, ২০২৫

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার শব্দ দূষণ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তৈয়বুন্নেছা খানম সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ইউএনও বরাবর একটি লিখিত আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন। রবিবার (২২জুন) জুড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যলয়ে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীরা লিখিত আবেদন উপজেলা নিবার্হী অফিসার (ইউএনও) বাবলু সূত্রধর কাছে জমা দেন।

আবেদন প্রেক্ষিতে জানা যায়, মাইকিং, উচ্চ শব্দে বিজ্ঞাপন প্রচার, অপ্রয়োজনীয় গাড়ির হর্ণ এবং সামাজিক অনুষ্ঠানগুলোর অতিরিক্ত শব্দের কারণে এলাকার পরিবেশ ও জনজীবন চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের দাবি, এসব অনিয়ন্ত্রিত শব্দ বিশেষ করে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মারাত্মক ক্ষতি করছে এবং শিশুদের মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এমনকি শব্দ দূষণের প্রভাবে বৃদ্ধ ও অসুস্থ রোগীরাও চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

তারা জানান, বিভিন্ন হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ কিছু ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান বিনা অনুমতিতে যেভাবে মাইকিং করছে তা বেআইনি ও জনস্বার্থবিরোধী। শুধু শহরেই নয়, এই শব্দ দূষণ এখন গ্রামাঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা। উচ্চ শব্দের গাড়ির হর্ণ এবং বেপরোয়া মাইকিংয়ের ফলে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীরা শব্দ দূষণ প্রতিরোধে বিকল্প কিছু ব্যবস্থা গ্রহণেরও প্রস্তাব দিয়েছেন।

এর মধ্যে রয়েছে— ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচার (যেমন ফেসবুক, ইউটিউব, এসএমএস), পোস্টার ও বিলবোর্ডের ব্যবহার, স্থানীয় সভা বা আলোচনার মাধ্যমে বার্তা প্রেরণ এবং সবুজ এলাকা বৃদ্ধির মতো পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে, যাতে জুড়ীর শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করতে পারে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে একাধিক অভিভাবক জানান, “শব্দ দূষণের কারণে ঘরে বসেও সন্তানদের পড়ালেখা ঠিকভাবে করানো যাচ্ছে না। প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।” এখন দেখার বিষয়, উপজেলা প্রশাসন এই যৌক্তিক আবেদন কত দ্রুত কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করে।

এ বিষয়ে জুড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ( ইউএনও) বাবলু সূত্রধর জানান, এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা মিটিং আলোচনা করে ব্যবসায়ীসহ এ ধরনের শব্দ দূষন করে তাদেরকে সর্তক করে দিব। এবং বিশেষ করে পরিক্ষা চলাকালীন সময়ে শব্দ দূষণ হবে না।


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর