রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৮:২১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ শিরোনাম :
অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার;প্রেসবিটারিয়ানের বার্ষিক সভায় কমলগঞ্জে সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা: মোটরসাইকেল ও মালামাল ছিনতাই কমলগঞ্জে প্রবাসীর জমি দখলের চেষ্টা, অপপ্রচারের অভিযোগ জুমার দিনে দোয়া কবুলের বিশেষ মুহূর্ত লাউয়াছড়ার সবুজে দৌড়—স্বাধীনতার ভোরে প্রাণের উচ্ছ্বাস মৌলভীবাজারে চোরচক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার, প্রাইভেটকার উদ্ধার মণিপুরী ললিতকলা একাডেমিতে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন শ্রীমঙ্গলে পাঁচ দিনব্যাপী বাসন্তী পূজা শুরু, মণ্ডপে মণ্ডপে উৎসবের আমেজ মৌলভীবাজারে গণহত্যা দিবসে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন কমলগঞ্জে ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে হাফেজ যুবকের মৃত্যু

‘বাবা, আমাদের বাঁচাও বলে চিৎকার করছিল আমার দুই মেয়ে’

অনলাইন ডেস্ক / ১১৪ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ১ মার্চ, ২০২৪

রাজধানী ঢাকার বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতদের মধ্যে রয়েছেন কুমিল্লার লালমাই উপজেলার পেরুল দক্ষিণ ইউনিয়নের চরবাড়িয়া এলাকার হাজী কোরবান আলীর মেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ফৌজিয়া আফরিন রিয়া এবং ঢাকার ভিকারুননিসা স্কুলের ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাদিয়া আফরিন আলিশা।

এ সময় কোরবান আলীর ভায়রা ভাই কুমিল্লা সদর উপজেলার বাসিন্দা আবদুল কুদ্দুসের মেয়ে সিটি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান নিমুও (১৮) মারা যায়।

শুক্রবার সকালে তিনজনের মরদেহ ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায় নিয়ে আসে স্বজনরা। এ সময় স্বজনদের কান্নায় ভারি হয়ে ওঠে বাড়ির পরিবেশ।

দুই মেয়ে হারিয়ে পাগল প্রায় গার্মেন্টস ব্যবসায়ী কোরবান আলী। শুক্রবার দুপুরে কোরবান আলীর বাড়ি কুমিল্লা লালমাই উপজেলার চরবাড়িয়া গিয়ে দেখা যায় আত্মীয় স্বজনরা বিলাপ করছেন।

কোরবান আলী জানান, তার বড় মেয়ে ফৌজিয়া আফরিন রিয়া (২৩) মালেয়শিয়া ইসলামি ইউনিভার্সিটিতে এমবিএ ফাইনাল পরীক্ষার্থী ছিল।

তিনি বলেন, ‘কয়েকদিন আগে সে আমার সাথেই বাংলাদেশে আসে। শনিবার তার মালেয়শিয়া ফিরে যাওয়ার কথা ছিল।’

ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে ডুকরে কেঁদে ওঠেন কোরবান আলী। তিনি জানান, ‘তার মেয়ে মালেয়শিয়া ফিরে যাবেন। তাই তারা দুবোন এবং আমার ভায়রা ভাইয়ের মেয়েসহ প্রথমে পিজা হাটে যায়। সেখানে কার্ড পাঞ্চ করে। আগুনের ঘটনা শুনে প্রথমে আমরা নিশ্চিত হই আমার মেয়েরা ভালো আছে। পরে হঠাৎ ফোন আসে। মেয়েরা চিৎকার করতে করতে বলে বাবা আমরা বেইলি রোডে কাচ্চি ভাইয়ে আছি। এখানে আগুন লাগছে। আমাদের বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করছিল। দৌড়ে সেখানে গিয়ে দেখি আমার দুই মেয়েসহ আমার ভায়রা ভাইয়ের মেয়ের মরদেহ পড়ে আছে। আমি এ শোক কেমনে সইবো।’

চাচা লোকমান হোসেন বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি প্রথমে যারা বেঁচে ছিলেন তাদের বিল্ডিং থেকে নামানো হচ্ছে। যখন জীবিতদের নামানো শেষ হয়েছে, তখন কলিজা মোচড় দিয়ে উঠে। আমার ভাতিজিরা আর বেঁচে নেই।’


আরো সংবাদ পড়ুন...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর