মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মুজিবুর রহমান চৌধুরী (হাজী মুজিব)-এর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং তরুণ প্রজন্মকে সামাজিক অবক্ষয় থেকে রক্ষা করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন তাঁর একমাত্র পুত্র ও বিশিষ্ট তরুণ সমাজসেবক মুঈদ আশিক চিশতী। মূলত তরুণদের মাদকাসক্তি, ডিজিটাল ব্যাধি ‘অনলাইন ক্যাসিনো’ ও ক্ষতিকর গেমিং থেকে দূরে সরিয়ে সুস্থ ধারায় ফিরিয়ে আনাই তাঁর এই কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল থেকে মুঈদ আশিক চিশতী কমলগঞ্জ পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে তরুণদের মাঝে জার্সি বিতরণ করেন এবং তাদের সৃজনশীল কাজ ও খেলাধুলায় মনোনিবেশ করার আহ্বান জানান। তাঁর এই সময়োপযোগী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ।
সামাজিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি মুঈদ আশিক চিশতী স্থানীয় রাজনীতিতেও সরব হচ্ছেন। আগামীতে কমলগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য স্থানীয় বাসিন্দারা জুড় দাবী জানান মুঈদ আশিক চিশতীর কাছে।

এ বিষয়ে মুঈদ আশিক চিশতী বলেন, “পিতার উন্নয়ন দর্শন ও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলো তৃণমূল পর্যায়ে বাস্তবায়ন করতে এবং একটি আধুনিক ও স্মার্ট পৌরসভা গড়তে আমি নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই। মাদক, অনলাইন ক্যাসিনো কিংবা ক্ষতিকর গেমিং আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। একটি সুস্থ সমাজ গড়তে হলে আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।”
কমলগঞ্জ পৌর এলাকার বাসিন্দা রুমেল মিয়া বলেন, ‘আমরা নতুনন্ত দেখতে চাই। এমপি সাহেবের ছেলেকে মেয়র হিসেবে দেখতে চাই। দুই উপজেলা যেমন এমপি সাহেবে উন্নয়ন করবেন। ঠিক উনার ছেলে মুঈদ আশিক চিশতী পৌর মেয়র হলে আমাদের এলাকার উন্নয়ন হবে।’

পৌর এলাকার তরুণ ক্রীড়াবিদ তুহিন ও মিলাদ আহমদ জানান, “খেলাধুলা ও সৃজনশীল কাজে যুক্ত থাকার যে বার্তা তিনি দিচ্ছেন, তা আমাদের জন্য বড় অনুপ্রেরণা।” সরকারি কলেজ শিক্ষার্থী মামুন আহমদ বলেন, “বর্তমান সময়ে অনলাইন আসক্তি আমাদের বড় সমস্যা। সরাসরি আমাদের সাথে কথা বলে সচেতন করার এই উদ্যোগটি অত্যন্ত ইতিবাচক।”

মতবিনিময় ও জার্সি বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন তরুণ সমাজসেবক মোহাম্মদ মুন্না চৌধুরী, সাংবাদিক সোলেমান আহমেদ মানিক, কমলগঞ্জ পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক জুয়েল আহমেদ জুলিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
স্থানীয়দের মতে, ‘রাজনৈতিক পরিবারের উত্তরসূরি হিসেবে তরুণদের কল্যাণে মুঈদ আশিক চিশতীর এই পথচলা এলাকায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।’