
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার চৈত্রঘাটে ধলাই নদীর ব্রিজের উত্তর পাশ থেকে আমরতল হয়ে দেওড়াচড়া পর্যন্ত সড়কের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত, কাদা ও ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ধলাই নদীর পাড় সংলগ্ন অংশ, মধ্যবর্তী এলাকা এবং শেষভাগের ৩টি টিলার অবস্থা একেবারেই বেহাল, ফলে প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও নিয়মিত এ পথ ব্যবহার করে। বর্ষা মৌসুমে সড়কে কাদা ও পানির কারণে শিক্ষার্থীরা প্রায়ই পা পিছলে পড়ে যায়। অনেক সময় বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে পোশাক নষ্ট হয়ে গেলে তাদের বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হতে হয়।
এলাকাবাসী আরও জানান, সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে অসুস্থ রোগী পরিবহন করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। জরুরি রোগী হাসপাতালে নেওয়ার প্রয়োজন হলে অনেক চালকই এ সড়কে গাড়ি চালাতে অনীহা প্রকাশ করেন। ফলে মুমূর্ষু রোগীদের সময়মতো চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না।
এ অবস্থায় এলাকাবাসী মৌলভীবাজার-৪ (কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ মুজিবুর রহমান চৌধুরী (হাজী মুজিব)-এর দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত সড়কটি পাকা করার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে এলাকার প্রবীন মুরব্বী মখলিস মিয়া জানান, রাস্তা পাকা করনের জন্য কত মানুষের ধারে গেছি হিসাব নাই। কতজন কত আশা দিলো এখনো আশা দিচ্ছে রাস্তা পাকা করে দিবে। আমার মনে হয় আমি মারা গেলেও এটা আর পাকা হবে না।
একই কথা বলেন এলাকার বাসিন্দা হারুনুর রশিদ। তিনি বলেন, সরকার আশে সরকার যায়,সড়ক আর পাকা হয়না।
তবে এ বিষয়ে ১নং রহিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সিতাংশু কর্মকার জানান, রাস্তার বিষয়ে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। আশা করছি দ্রুত সময়ের ভিতরে সংস্কার শুরু হবে।
রাস্তা সংস্কারের বিষয়ে স্থানীয়দের অভিযোগের বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আমি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সাথে আলাপ করে সড়জমিনে গিয়ে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।
সম্পাদক ও প্রকাশক : সালাহ্উদ্দিন শুভ ,মোবাইল : 01710668127 ইমেইল : protidinermoulvibazar@gmail.com
© ২০২৪ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | প্রতিদিনের মৌলভীবাজার | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।